Welcome to Bangladeshi Book Bank

Bangladeshi Book Bank
বাংলাদেশী বুক ব্যাংক

আসুন আমরা একে অপরকে পাঠ্যপুস্তক দান  করি 

বাংলাদেশী বুক ব্যাংকের উপরে নাটিকা

পরীক্ষা শেষ হলেই সাধারনত আমাদের ব্যবহৃত বই ফেলে দেই বা কম মুল্যে বিক্রয় করে দেই।বাংলাদেশী বুক ব্যাংকের সাথে  যোগাযোগ করে পুরাতন বই গুলো দিলে অসহায় গরীব অথচ মেধাবী সেই শিক্ষার্থীটার বইয়ের অভাবে থমকে যাওয়া পড়াশোনাটা আবার চালু হতো।  

About Us

অপ্রতুল পাঠ্যপুস্তকের সুষ্ঠ ব্যবহার

image1

অর্থনীতিবিদগণের মতে স্বল্প সম্পদের সুষম বন্টনের মাধ্যমে একটি জাতির অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করা সম্ভব । ঠিক সে ভাবে আমরা দেখতে পাই যে আমাদের সমাজের যারা স্বচ্ছল তাদের ছেলে মেয়েদেরকে হাজার/লাখ টাকা খরচ করে বই কিনে দেন। আর অন্যদিকে সাধারণ পরিবার বইকেনা তো দূরের কথা সংসারের খরচ চালাতে হিমশিম খায় । আমাদের দেশের কলেজ, ইউনিভার্সিটি, মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং এর বইগুলি অনেক দামি আর সব স্টুডেন্টরা প্রয়োজন অনুযায়ী বই কেনার সামর্থ্য থাকে না। আমরা যদি সবাই মিলে স্বল্প বইয়ের সুষম বন্টন করতে পারি তবেই, আমরা আমাদের কলেজ বা ইউনিভার্সিটির পাঠ্যপুস্তকের অভাব পূরণ করতে সম্ভব বলে আসা করি । আমরা যদি আমাদের ব্যবহৃত পাঠ্যপুস্তক গুলি 'বাংলাদেশী বুক ব্যাংক' এর ওয়েব সাইটের মাধ্যমে অন্যকে প্রদান করি তবে সে বইটির সুষ্ঠ ব্যবহার হবে বলে মনে করি। অপ্রতুল পাঠ্যপুস্তক গুলির সুষ্ঠ ব্যবহার করতে সক্ষম না হই তবে আমাদের মানব সম্পদ উৎপাদনে কিঞ্চিৎ ব্যাঘাত হতেও পারে । আমরা যাই করি না কেন বা যেটাই করি না কেন আর যেভাবেই থাকি , আমরা কিন্তু আমাদের দেশ মাতাকে অনেক ভালোবাসি । আমরা সবাই মনে প্রাণে চাই আমাদের এই ছোট্ট সুন্দর জন্মভূমিটা পৃথিবীর সবচেয়ে  উন্নত আর শুভ দেশে পরিণত হউক । যদি আমরা সেটাই চাই আমাদের দেশের ছাত্রদের পাশে দাঁড়াতে হবে, ওদের পড়াশুনার সুযোগ ও পরিবেশ তৈরী করে দিতে হবে । আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন যারা একটু সুযোগ পেলেই পড়াশুনা করে পৃথিবীর বুকে দেশের নাম উজ্জ্বল করার মতো প্রতিভা রাখে । আজকের ছাত্ররাইতো আগামী দিনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নীতিমালা লেখক। সুতরাং এই ছাত্ররাই লেখাপড়া শেষ করে অনেকেই আমলা, অর্থনীতিবিদ, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, ব্যবসাই, বিজ্ঞানী, ইঞ্জিনিয়ার, কৃষক বা অন্য পেশায় নিজেকে নিবেদিত করে আমাদের বাংলাদেশকে সোনার বাংলাতে পরিণত করবে । কিন্তু দুঃখের বিষয় আমাদের অনেক ছাত্রই আছে যারা তাদের জীবনের চাহিদা মেটানোর জন্য ছাত্র পড়ায়, হোটেলে বা রেস্তোরাতে অল্প পারিশ্রমিকে কাজ করে আবার অনেকে অটো-রিক্সা চালায় । যে সময় বিদ্যা অর্জন করবে সে সময় অনেক ছাত্ররাই জীবনের প্রয়োজন মেটাতে কলুর বলদে ব্যাস্ত । আমরা হয়তো পারবোনা সার্বিক অবস্থার পরিবর্তন আনতে, তবে চাইলেই আমরা পারি আমাদের অব্যবহৃত বইগুলো নামমাত্র মূল্যে বিক্রি না করে অন্য ছাত্রকে পড়তে দিতে । আসুন আমরা সবাই অন্যকে সন্মান করি আর বই দান করে মানব সম্পদ তৈরিতে সাহায্য করি ।

বাংলাদেশী বুক ব্যাংক কি ও কেন ?

image2

‘বাংলাদেশী বুক ব্যাংক’ একটি শিক্ষামূলক কার্যক্রম, যার প্রধান কাজ বাংলাদেশের প্রতিটি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবিধাবঞ্চিত ছাত্র / ছাত্রীদের জন্য প্রয়োজনীয় পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ করা l  ‘বাংলাদেশী বুক ব্যাংক’ প্রাতিষ্ঠানিক পাঠ্য পুস্তকের সংরক্ষণাগার , যে স্থান থেকে  কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা তাদের প্রয়োজণীয় পুস্তকাদি ব্যবহার , প্রদান ও সংগ্রহ করতে সক্ষম হবে l 

বাংলাদেশী বুক ব্যাংকের কার্যক্রোম সর্বপ্রকার সমাজ সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান হতেই পরিচালনা করা যেতে পারে l বাংলাদেশী বুক ব্যাংকে ছাত্র / ছাত্রীরা তাদের অব্যাবহৃত বা আগের বছরের পাঠপুস্তক  দান করতে পারবে l তাদের এই দানকরা বইগুলোই আবার প্রয়োজন অনুসারে সুবিধা বঞ্চিত ছাত্রদের ব্যবহারের প্রদান করা হবে l 

 এই প্রতিষ্ঠানটি সেচ্ছাসেবক দ্বারা পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত l এটি একটি দাতব্যমূলক এবং অলাভজনক শিক্ষামূলক সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান l ক্রমান্বয়ে বাংলাদেশের প্রত্যেটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি করে ‘বাংলাদেশী বুক ব্যাংক’ এর সেবা কেন্দ্র খোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে l ছাত্রদের প্রয়োজনে ছাত্ররা পাঠ্যপুস্তক প্রদানকারীর সাথে সরাসরি মোবাইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে প্ৰয়োজনীয় পাঠ্যপুস্তক সংগ্রহ করতে পারবে |


বাংলাদেশের পাবনার সন্তান লন্ডনের কাউন্সিলর মঈন কাদেরী এই প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা এবং প্রতিষ্ঠাতা l

বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদানের প্রচেষ্টায়

image3

প্রতিটি পাঠ্য পুস্তকের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য এবং দিক-নির্দের্শনা রয়েছে প্রদান ও সংগ্রহ বই আমাদের জ্ঞান আরোহনের অন্যতম মাধ্যম , যার উপযুক্ত ব্যবহার জাতীয় সম্পদ তৈরিতে সাহায্য করে l  যে বইয়ের সুষ্ঠ ব্যবহারের মাধ্যমে জাতীয় সম্পদ তৈরী করা সম্ভব , আমরা কি সেই বই দিয়ে ঝাল-মুড়ির ঠোঙ্গা বানাতে পারি ?  বই পড়ার মাঝে আছে আনন্দ, বাড়ে জ্ঞানের স্পৃহা , বইয়ের জ্ঞান তথ্য আদান-প্রদান কে সহজ করে এবং প্রতিভাবান হতে সাহায্য করে l  আমরা কি এমন একটি ব্যবস্থা তৈরী করতে পারিনা যার মাধ্যমে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ছাত্রদের কে আমাদের অব্যাবহৃত বই গুলি প্রদান করে, তাদের কে জাতীয় সম্পদে পরিণত করতে ?  আসুন আমরা একে অপরকে সাহায্যের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ ও শিক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলি l আসুন আমরা একে অপরকে পাঠ্যপুস্তক দান করতে উৎসাহিত করি l

Contact- বাংলাদেশী বুক ব্যাংক

পাঠ্যপুস্তক প্রদান ও গ্রহণের উপায় :

পাঠ্যপুস্তক সংগ্রহ ও প্রদান

১ ) www.bangladeshibookbank.com -এ ক্লিক করুন ( কম্পিউটার/মোবাইল এ)   ২ ) Get Involved - এ ক্লিক করুন |   ৩) আপনার নাম, ই-মেইল এড্রেস, বইয়ের নাম, কত সালে প্রকাশিত, বইয়ের লেখকের নাম, আপনার জেলার এবং আপনি পাঠ্যপুস্তক প্রদান বা গ্রহণ করবেন লিখুন|   ৪) মোবাইল নম্বর লিখুন ।   ৫) আপনার স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি বা প্রতিষ্ঠানের নাম লিখুন।  ছাত্রদের প্রয়োজনে ছাত্ররা পাঠ্যপুস্তক প্রদানকারীর সাথে সরাসরি মোবাইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে প্ৰয়োজনীয় পাঠ্যপুস্তক সংগ্রহ করতে পারবে |

BANGLADESHI BOOK BANK বাংলাদেশী বুক ব্যাংক

Bangladesh

১) বই দানকারি তার বইগুলির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেবেন।
২) ওয়েবসাইটটি মাসে ২বার আপডেট করা হবে।
৩)যে বই প্রয়োজন সে বই দাতার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে বই সংগ্রহ করতে
8) ছাত্রদের প্রয়োজনে ছাত্ররা পাঠ্যপুস্তক প্রদানকারীর সাথে সরাসর